TARGET PROFILE
ক্ষতি–৳93,500
অভিযুক্ত · ব্যক্তি · #CS-00547
https://www.facebook.com/share/1H2dRCMmFg
ফোন নম্বর 1
হোয়াটসঅ্যাপ
+8801611000006 Chatযেখানে টাকা নেওয়া হয়েছে 1
প্রমাণ 20
অনলাইন উপস্থিতি
বিস্তারিত
রোজার ঈদের আগে থেকে চাকরির জন্য লেনদেন শুরু হয়ছে, শরিফুল ইসলাম নামে বাটপারের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় থাকে ঢাকা মোহাম্মদপুর ওয়াসা রোড চাদনি হাউজিং এর স্বপ্ন কুটিরের ৪থ তলায়, মেয়ের বাড়ি জামালপুর জেলায় থাকে লালমাটিয়াতে, সকল লেনদেনের তথ্য আছে, আপনাদের সহযোগিতা কামনা করি আমার কষ্টের টাকা
তৈরি: 01 Jun 2026
রিপোর্টকারীর বক্তব্য
আসসালামু আলাইকুম আশা করি ভালো আছেন, আমি মোঃ আরিফ মৃধা রাজবাড়ী জেলা থেকে লিখছি, আমি সরকারি একটা প্রকল্পে চাকরি করতাম ফরিদপুর জেলায় ইন্টেরিম সরকার আসার পর আমাদের প্রকল্পটা বন্ধ করে দেয়, আজ ২ বছর যাবৎ বেকার চাকরির জন্য চেষ্টা করছি হচ্ছে না, গত রোজার ভিতর এক আপুর সাথে পরিচয় হয় বাংলাদেশ বেকারমুক্ত পরিষদ নামে একটা পেজে চাকরির জব পোস্ট হত চাকরির জন্য সে মেয়েও ওই পেজের এডমিন কে টাকা দিয়েছিলো চাকরির জন্য আমিও ওই পেজের সাথে এড ছিলাম একদিন সে মেয়ে আমাকে মেসেজ দিয়ে বলে ওই পেজের এডমিনের নাম পাপন, পাপনের কাছে চাকরির জন্য টাকা দিছেন নাকি বললাম হ্যা, তখন থেকে আস্তে কথা হয় বললো ও টাকা পাবো না আমি চাকরি নিয়েছি একটা ব্যাংকে, কিভাবে নিছেন এসব শোনার পর বলে তার দুলাভাই এর পরিচিত এক জনের ধরে এনআরবিসি ব্যাংকে জব নিয়েছে টাকা নাকি প্রতি মাসে বেতন থেকে কেটে নিয়েছে, সেজন্য আমি বললাম তাহলে আমাকেও একটা ব্যবস্থা করে দেন সে বললো নাম্বার দিচ্ছি যোগাযোগ করে নেন আপনি কথা বলেন পরে আমি বলবানে, তার সাথে যোগাযোগ করলাম সে বললো ওই রকম সুযোগ আর নেই ইসলামী ব্যাংকে চাকরি দিতে পারবো ৪০ হাজার টাকা লাগবে তবে ৩ ভাগের ১ ভাগ টাকা দিতে হবে প্রসেসিং এর জন্য বাকিটা ইন্টারভিউ হওয়ার পর টাকা দিলাম প্রথমে ৯ হাজার তারপর ৩৭০০ এভাবে দিন যায় এ সমস্যা ও সমস্যা বলে টাকা নিতে নিতে ৯৩৫০০ টাকা নিছে, আমার বউয়ের সিজার হলো কন্যা সন্তান আল্লাহ দিলো মেয়েকে আরেক হাসপাতালে ভর্তি তার ভিতর ও টাকা নিছে আমার থেকে, আমাকে ২ বার ঢাকা আনছে কিন্তু ব্যাংকের হেড অফিসে ঢোকায় নাই, বলে সিবিএ মানে ব্যাংক কমর্চারী কল্যান সমিতির বিএনপির নেতারা নতুন পদে আসার পর ঝামেলা করতেছে, আমাকে ফরিদপুর সদর ব্রাঞ্চে পোস্টিং দিবে এপ্রিলের ৪ তারিখে বলে ফরিদপুর কাগজ পত্র নিয়ে যান কাল আপনার জয়েন বললাম ডকুমেন্টস নিয়োগপত্র এগুলো কই বলে সেগুলো অফিসে পাঠানো হয়ছে আপনি গেলেই জয়েন নিবে, গিয়ে দেখি কোন কিছুই নেই পরে বলে ইসলামী ব্যাংকের এডমিন কে বলছি সে মেইল করতেছে ও করতেছে জয়েন হলো না, এডমিন টাকা চাচ্ছে এগুলো করার জন্য তাকে টাকা দিতে হবে, আরেক নাটক আইটি থেকে মেসেজ যাবে মেইল যাবে আপনার তার জন্য টাকা দিতে হবে, এরপর সে ফরিদপুর আসতেছে জোনাল অফিসে সে জোনাল ম্যানেজারের সাথে আছে আমার ফাইল নিয়ে আসতেছে কিন্তু তার খোজ নাই ওই আপুকে কিন্তু সব জানাচ্ছি আমি সে সব জানে, ওই আপু বলতেছে আপনার ফাইল ও আটকে রাখছে আমি আমার আম্মু ওর বাসায় গিয়ে ফাইল নিয়ে আসবো, আনতে গিছে ওই লোকের বউ নাকি তাদের সাথে ঝগড়া করছে ফাইল দিবে না টাকা ছাড়া তাদের সাথে কন্টাক্ট নাকি ৩ লাখ টাকা ওই মেয়ে বললো দালালের বাসার মালিক আর আশে পাশের লোকজন মিমাংসা করে দিছে ৭ হাজার টাকা পাঠান, ফাইল নিয়ে আসছি এই বলে রাখলো, তারপর আর তাদের খোজ নাই ২ দিন পরে বলতেছে দালাল নাকি আসল কাগজটাই রেখে দিছে এটা নিয়ে জয়েন করতে গেলে নাকি পুলিশে দিবে, এদিকে দালাল আমার সাথে যোগাযোগ করা বন্ধ করে দিছে সে মেসেজ দেখে না ফোন কেটে দেয়, ওই মেয়ের সাথে মেসেজে কথা হয়, এদিকে তাদের টোটাল ৯৩৫০০ টাকা দেওয়া হয়ে গিছে তাদের, হঠাৎ একটা নাম্বার থেকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ আসে লেখা ইসলামী ব্যাংক ফরিদপুর, সে জোনাল ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে মেসেজ দিছে আপনার জয়েন করার কথা জয়েন করেন নাই আপনি কাগজপত্র নিয়ে জয়েন করেন, তাকে খুলে বললাম স্যার কাগজতো আমার কাছে নেই ফাইল আটকিয়ে রাখছে বললো যাদের সাথে লবিং করছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করে ফাইল নিয়ে জয়েন করেন, বললো আপনার ফাইল সাবমিট করা কিন্তু কোন অফিস আদেশ দেয় নাই জয়েনিং এর, ওই মেয়ে বলতেছে ২৩ হাজার টাকা দিতে হবে না হলে বাদ হয়ে যাবে জয়েনিং এবার কোন টাকা দেয় নাই আমি জোনাল সেজে যে মেসেজ দেয় সে বলতেছে কাগজপত্র নিয়ে কাল ১২ টার দিকে এসে জয়েন করে যান আপনার অফিস আদেশ আসছে, এদিকে ওরা টাকার জন্য চাপ দিচ্ছে আপনি নারাজ দিতে বলছি জয়েন করবো তারপর ফরিদপুর গিয়ে নেট অন করে দেখি জোনাল সেজে মেসেজ দিছে সে বলে আপনার এমপ্লয়ি আইডি সো করছে না মেসেজ দিলে আসবেন, আমি সরাসরি জোনাল অফিসে গিয়ে বললাম এটা তাদের অফিসের হোয়াটসঅ্যাপ নাকি তারা বলে না অফিসের না, এদিকে তারা বলে ফরিদপুর আসছে সিবিএ কোন নেতার সঙ্গে নিয়ে ২৩ হাজার টাকা পাঠালে তারা জয়েন করিয়ে দিবে কিন্তু আমি বলছি আমাকে নিয়ে জোনাল অফিসে আসুক জয়েন করে টাকা দিবো তারা তা মানে না বলে চাকরি না দিতে পারলে আজই টাকা ফেরত দিবে, বললাত চাকরি লাগবে না আমার টাকাগুলো ফেরত দেন বলে ২৩ হাজার টাকা না দিলে তারা টাকা ফেরত দিবে না। ওই দালালের ভোটার আইডি কাডের ছবি দিছিলো যাচাই করছি ওনাদের জেলার গ্রুপে পোস্ট দিয়ে অনেকেই চিনে একে, ওই মেয়ের বাসা নাকি লালমাটিয়া আর দালালের বাসা মোহাম্মদপুর ওয়াসা রোড স্বপ্ন কুটির নাকি, আমি এনআরবিসি ব্যাংকের প্রধান শাখায় খোজ ওই মেয়ের নামে ওই ভ্রাঞ্চে কেউ চাকরি করে নাকি বলে নেই, মেয়ের ভাইকে নাকি ওই দালাল জব দিছে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান ব্রাঞ্চে সেখানেও ওই নামে কেউ নাই, আমার লেনদেন সকল প্রমাণ আর নিয়োগের ছবি দিছিলো, আরো কয়েকজনের চাকরি দিছে বলে নিয়োগের ছবি দিছিলো আমাকে, আমি বেকার থাকায় চাকরির নেশায় ধার দেনা করে টাকা দিছি পাওনাদাররা বাসায় এসে চাপ দেয় ওরা টাকা ফেরত দিবে না, নবাগত সন্তান কে একটা জামাও কিনে দিতে পারি নাই ওদের প্রতরনার জন্য, আপনার কাছে সহযোগিতা কামনা রইলো দালালের নাম্বার, শরিফুল ইসলাম ডাক নাম সানি, +880 1611-000006 মেয়ের নাম্বার, ফেসবুক আইড লিংক +880 1317-437252 https://www.facebook.com/share/1H2dRCMmFg/ হোয়াটসঅ্যাপ আছে সব গুলোর রোকন নামের টা ওই মেয়ের ভাই ই
1
1 / 1
কমিউনিটির মন্তব্য